এক এগারোর সরকারের সংস্কার কতটুকু অর্জিত হয়েছে : রওনক জাহান

0
107

নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশে ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি সেনাবাহিনীর সমর্থনে একটি অরাজনৈতিক সরকারের ক্ষমতা নেওয়ার যে ঘটনা ঘটেছিল সোমবার ছিল তার ১৪ বছর।

সেনা সমর্থিত সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রথম থেকেই দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বদল বা সংস্কারের কথা শুরু করে এবং এজন্য রাজনৈতিক দল এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে।
কিন্তু ১৪ বছর পর কথিত সেসব সংস্কারের কোনো ছিটেফোঁটা কি চোখে পড়ে-বিশ্লেষকদের অনেকে এই প্রশ্ন তুলেছেন।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং বিরোধীদল বিএনপি- প্রধান দুই দলের নেতারাই বলেছেন, জোরপূর্বক চাপিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক সংস্কার করা যায় না।
#টার্গেট ছিল দুই দল
১৪ বছর আগে ১১ই জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারির মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর সমর্থনে ক্ষমতায় এসেছিল ড: ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
সেই সরকার রাজনৈতিক সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছিল, তাতে রাজনৈতিক দলগুলোতে শীর্ষ নেতার কর্তৃত্ব খর্ব করে গণতান্ত্রিক চর্চার কথা বলা হয়েছিল। এই উদ্যোগে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি বড় দুই দলকেই টার্গেট করার বিষয়টি দৃশ্যমান ছিল।
সংস্কারপন্থী হিসাবে একটি অংশ তৈরি করে বিএনপিতে বিভক্তি আনা হয়েছিল। আওয়ামী লীগেও সংস্কারপন্থী একটা অংশ তৈরি করা হয়েছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক রওনক জাহান বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতর থেকে সংস্কারের বিষয়টি আসেনি। ফলে চাপের মুখে দলগুলো তখন সংস্কারের কথা বললেও তা হয়নি বলে তিনি মনে করেন।
“প্রথম কথা হচ্ছে, দলগুলো স্বত:প্রণোদিত হয়ে সংস্কারের কথা বলেনি। বাইরে থেকে দলগুলোতে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে দলগুলো তখন চাপের মধ্যে ছিল, ফলে চাপের মুখে দলগুলোও সংস্কারের কিছু কথা সে সময় বলেছিল,” তিনি বলেন।
অধ্যাপক রওনক জাহান আরও বলেছেন, “ক্রমাগত বাইর থেকে দলগুলোর ওপর চাপ দেয়ার মতো কোন শক্তি আর নেই। অতএব দলগুলো তাদের নিজেদের ইচ্ছামত আগে যেভাবে চলতো, এখনও সেভাবে চলছে।”

উত্তর দিন

দয়া করে এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন