বুধবার মধ্যরাত থেকে ৬৫ দিন সাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ

0
21

অনলাইন ডেস্ক:: দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধিতে আজ বুধবার মধ্যরাত থেকে বঙ্গোপসাগরে দেশের জলসীমায় ৬৫ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। মৎস্য অধিদপ্তর প্রতি বছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে। সাগরে সব প্রজাতির মাছের প্রজনন বৃদ্ধি ও ইলিশ বড় হওয়ার সুযোগ করে দিতেই এই পদক্ষেপ।৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার প্রস্তুতি হিসেবে মঙ্গলবার ঢাকার মৎস্য ভবনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপকূলীয় ১৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও সংশ্নিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সাগরে সব ধরনের মাছ ধরায় ৬৫ দিনের এ নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে আজ রাত ১২টা ১ মিনিটে।এদিকে মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আনিচুর রহমান বলেন, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় এক লাখ ৪৬ হাজার ৫৪৩ জন সাগরগামী জেলে রয়েছেন। তাদেরকে এ সময়ে সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। এ জন্য উপকূলীয় এলাকায় সচেতনতা, মাইকিং ও পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। উপকূলীয় অন্যান্য জেলাতে একই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, নৌবাহিনী সাগর ও উপকূলে পাহারায় থাকবে।মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা পালনে জেলেদের উৎসাহিত করতে দুই লাখ ৯৮ হাজার ৫৯৫ জন জেলের প্রত্যেকে ৫৬ কেজি চাল সহায়তা পাবেন। এ জন্য ১৬ হাজার ৭২১ দশমিক ৩২ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।এদিকে জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির যুগ্ম মহাসচিব ইকবাল হোসেন মাতুব্বর বলেন, শুধু চাল দিয়ে ক্ষুধা নিবারণ করা যায় না। তিনি মৎস্য ভবনের সভায় জেলেদের চাল সহায়তার পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য কেনার জন্য নগদ অর্থ সহায়তারও দাবি জানিয়েছেন।তিনি জানান, বিভিন্ন মেয়াদের নিষেধাজ্ঞা পালন করায় নদী-সাগরে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের উৎপাদন বেড়েছে। কিন্তু সে তুলনায় জেলেদের জীবনমান বাড়েনি।

অনলাইন ডেস্ক:: দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধিতে আজ বুধবার মধ্যরাত থেকে বঙ্গোপসাগরে দেশের জলসীমায় ৬৫ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। মৎস্য অধিদপ্তর প্রতি বছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে। সাগরে সব প্রজাতির মাছের প্রজনন বৃদ্ধি ও ইলিশ বড় হওয়ার সুযোগ করে দিতেই এই পদক্ষেপ।৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার প্রস্তুতি হিসেবে মঙ্গলবার ঢাকার মৎস্য ভবনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপকূলীয় ১৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও সংশ্নিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সাগরে সব ধরনের মাছ ধরায় ৬৫ দিনের এ নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে আজ রাত ১২টা ১ মিনিটে।এদিকে মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আনিচুর রহমান বলেন, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় এক লাখ ৪৬ হাজার ৫৪৩ জন সাগরগামী জেলে রয়েছেন। তাদেরকে এ সময়ে সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। এ জন্য উপকূলীয় এলাকায় সচেতনতা, মাইকিং ও পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। উপকূলীয় অন্যান্য জেলাতে একই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, নৌবাহিনী সাগর ও উপকূলে পাহারায় থাকবে।মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা পালনে জেলেদের উৎসাহিত করতে দুই লাখ ৯৮ হাজার ৫৯৫ জন জেলের প্রত্যেকে ৫৬ কেজি চাল সহায়তা পাবেন। এ জন্য ১৬ হাজার ৭২১ দশমিক ৩২ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।এদিকে জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির যুগ্ম মহাসচিব ইকবাল হোসেন মাতুব্বর বলেন, শুধু চাল দিয়ে ক্ষুধা নিবারণ করা যায় না। তিনি মৎস্য ভবনের সভায় জেলেদের চাল সহায়তার পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য কেনার জন্য নগদ অর্থ সহায়তারও দাবি জানিয়েছেন।তিনি জানান, বিভিন্ন মেয়াদের নিষেধাজ্ঞা পালন করায় নদী-সাগরে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের উৎপাদন বেড়েছে। কিন্তু সে তুলনায় জেলেদের জীবনমান বাড়েনি।

উত্তর দিন

দয়া করে এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন