“সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়ন ” নামে নতুন সংগঠন আত্নপ্রকাশ করায় বিস্মিত সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ

0
16

নিজস্ব প্রতিবেদক:: ২০১১ইং সাল থেকে “সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়ন” প্রতিষ্টা লাভ করে যার ১ম আহবায়ক ছিলেন আকলিছ আহমদ চৌধুরী।এরপর “সাংবাদিক ইউনিয়ন সিলেট” নামে ২০১৪ইং সালের ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম শ্রম অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন লাভ করে। যাহার রেজি: নং-চট্ট- ২৭২৮। সেই কমিটির সভাপতি ছিলেন নজরুল ইসলাম সিপার এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন কামরুল হাসান জুলহাস, একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর নির্বাচন হলে যথারীতি নজরুল ও কামরুল পুনরায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সেই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন সিলেট শহর সমাজ সেবা কার্যালয়ের অফিসার আব্দুর রফিক। প্রতিষ্টালগ্ন থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাংবাদিক ইউনিয়ন সিলেট এর কার্যালয় বন্দর বাজার বক্স বিল্ডিং এর তৃতীয় তলায় বিদ‍্যমান আছে। পরবর্তীতে ২০২০ ইং সালে সাংবাদিক ইউনিয়ন সিলেট এর নাম পরিবর্তন করে “সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়ন” নামে সংশোধিত হয়। একই বছরের জুলাই মাস থেকে সংগঠনটি দুইভাগে বিভক্ত হয়। যার একটি অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কামরুল হাসান জুলহাস (সভাপতি) ও সৈয়দ আকরাম আল সাহান (সাধারণ সম্পাদক ), এবং অপর অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নজরুল ইসলাম সিপার (সভাপতি)। তাদের নেতৃত্বে সংগঠনটি সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। যার প্রমান বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে রয়েছে।

অথচ আজ ২২ ফেব্রুয়ারি সিলেটের সিনিয়র সাংবাদিক লিয়াকতশাহ ফরিদী ভাইকে আহবায়ক করে “সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়ন ” নামে নতুন আরেকটি সংগঠন আত্নপ্রকাশ করলো। সিলেটে একই নামে দুটি সংগঠন থাকলে সাধারণ মানুষ, রাজনীতিবিদ, প্রশাসন এমনকি সাংবাদিকদের মাঝেই ধুম্রজাল সৃষ্টি হবে। তাই যাতে কোন ধরনের বিদ্রান্তি সৃষ্টি না হয় সেই জন‍্য সিলেটের সাংবাদিক সমাজ এব‍্যপারে একটি কার্যকরী উদ‍্যেগ গ্রহন করা জরুরী। একটি নিবন্ধিত সংগঠনের নামে আরেকটি নতুন সংগঠন করা অযৌক্তিকই নয়, দূরদর্শীতার অভাব বলেই মনে হয়।

এ ব‍্যপারে “সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়ন” এর একাংশের বর্তমান সভাপতি কামরুল হাসান জুলহাস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে এবং নবগঠিত সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়ন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন “সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়ন ” নামে নতুন সংগঠন আত্নপ্রকাশ করায় আমি বিস্মিত। শুধু আমি না সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দ বিস্মিত হয়েছেন। আমি এখন সিলেটের বাহিরে আছি, যে কোন ব‍্যক্তির অধিকার আছে সংগঠন করার। তাই তারা সংগঠন করেছেন। তবে ৭বছর পূর্বের নিবন্ধিত সংগঠনের নামে আরেকটি নতুন সংগঠন করা কোন ক্রমেই কাম‍্য হতে পারেনা। সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে তাদের চিন্তা করার দরকার ছিল একই নামে দুটি সংগঠন থাকলে মানুষের মধ‍্যে ধুম্রজাল সৃষ্টি হবে, তখন মহান পেশা সাংবাদিকতা নিয়ে এবং সাংবাদিকদের নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ‍্যে নেগেটিভ ধারনা তৈরি হবে। আমি সিলেট পৌছে “সিলেট সাংবাদিক ইউনিয়ন” এর জরুরী সভা আহবান করবো। সেই সভা থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে বলে জানান। কি প্রক্রিয়ায় তারা একটি নিবন্ধিত সংগঠনের নামে নতুন সংগঠন করেছেন তার ব‍্যখ‍্যা চাওয়া হবে?

উত্তর দিন

দয়া করে এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন